web analytics
Entertainment

অস্কারজয়ী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি রোহিঙ্গা শিবিরে

বাংলাদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গা শরনার্থীরা মায়ানমার নিরাপত্তা বাহিনী দ্বারা জাতিগত ও ধর্মীয় নির্যাতন এড়ানোর জন্য ২০১১ সাল থেকে সীমানা পেড়িয়ে বাংলাদেশে আগমন শুরু করে। এই ধারা অব্যাহত থাকে ২০১২ সালে ৩,০০,০০০ রোহিঙ্গা আগমন করে, এরপর ২০১৫ সালে তাদের মায়ানমার ছেড়ে পালানোর পর সবচেয়ে বড় নির্যাতন নেমে আসে ২০১৭ সালে। বাংলাদেশের সীমান্তে রোহিঙ্গারা জীবন বাঁচানোর তাগিদে ছুটে আসে যে ধারা এখনো অব্যাহত আছে। ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭৩ তম সাধারণ পরিষদের এক বক্তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাচিনা বাংলাদেশে ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গার কথা উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশে বসবাসরত এসব রোহিঙ্গারা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, দূর্যোগ ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব সমস্যা থেকে উত্তরনের জন্য জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন এগিয়ে এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এর বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তিন দিনের সফরে এসে গত ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ ইং বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শিবির কক্সবাজারে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। তিনি উখিয়ার মধুছড়া ও কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন। সেখানে রহিঙ্গা নারী ও শিশুদের সাথে তিনি কথা বরেন, ছবি তোলেন। তাদের পালিয়ে আসার গল্প শোনেন, তাদের উপর নির্যাতনের কথা শোনেন। এর পাশাপাশি যারা বা যে সকল প্রতিষ্ঠান, শিবির তাদের জন্য কাজ করছেন তাদের সাথেও কথা বলেন।

তিন দিনের সফরে গত সোমবার ১১ ফেব্রুয়ারী তিনি বাংলাদেশে আগমন করেন। সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি সংবাদ মাধ্যমে কথা বলেছেন। তার বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য মিয়ানমারকে সত্যিকারের অঙ্গীকার করার আহবান জানান। ইউএনএইচসিআর এই বিশেষ দূত আরও বলেন রাখাইনে একনো রোহিঙ্গাদের ফিরে যাবার মত পরিবেশ তেরী হয়নি।

অস্কারজয়ী এই অভিনেত্রীর এটাই বাংলাদেশে প্রথম সফর। সোমবার ঢাকা পৌঁছানোর পরেই তিনি কক্সবাজার যাত্রা করেন আর কক্সবাজার এসে চলে যান রোহিঙ্গা শিবিরে। সেখানে তিনি প্রায় তিন ঘন্টা সময় কাটান। সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাচিনার সাথে দেখা করে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close