Home international মৃত্যুর ঝুঁকির কারণে ঘুমের ওষুধের ওপর বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র

মৃত্যুর ঝুঁকির কারণে ঘুমের ওষুধের ওপর বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র

80
0
প্রতীকী ছবি

আমেরিকায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রায় ভোগে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর জন্য ঘুমের ওষুধ খায় ভুক্তভোগীরা। অ্যাম্বিয়েন্ট, লুনেন্টা ও সোনাটার মত প্রচলিত কিছু ঘুমের ঔষধের উপর মঙ্গলবার বিশেষ সর্তকতা জারি করেছে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ‘এফডিএ’। এসব ওষুধ সেবনে মৃত্যু অচেতন অবস্থায় আহত হওয়াসহ ঝুঁকিপূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

ঘুমের সমস্যায় ভোগা রোগীদের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিভিন্ন সহায়ক ওষুধ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। এ ধরনের নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের মোড়কে ব্ল্যাক বক্স ওয়ার্নিং নামে বিশেষ সতর্কতা উল্লেখ করার নির্দেশ দিয়েছে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এফডিএ। পাশাপাশি সেসব ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে ব্যবহারকারীদের সতর্ক করতে লিখিত নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এই ওষুধগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে রোগীরা অবচেতন অবস্থায় হাটাচলা, খাওয়া দাওয়া এমনকি গাড়ী চালানোর মত কাজগুলো করেন। এ কথা জানালেন, ক্লিবল্যান্ড ক্লিনিকের স্লিপ ডিজঅর্ডার সেন্টারের চিকিৎসক ন্যান্সি ফোল্ডভেরি শেফার্ড।

বিপদজনক এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে অ্যাম্বিয়েন্ট, লুনেন্টা ও সোনাটার মত প্রচলিত কিছু ঘুমের ঔষধের উপর বিশেষ সর্তকতা জারি করেছে এফডিএ। এগুলো সেবনের ফলে ঘুমের ঘোরে আহত এমনকি মৃত্যুর মতো ঘটনার একাধিক তথ্য জানার পর জরুরী ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এফডিএ’র জরীপ অনুযায়ী ঘুমের ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২০ জনের মৃত্যু ও ৪৬ জনের আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ওষুধের মোড়কে সতর্কতা উল্লেখ থাকলেও এফডিএ’র ব্ল্যাক বক্স ওয়ার্নিং কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা বাণী হিসেবে মনে করা হচ্ছে ।এমনকি যেসব রোগীরা এরই মধ্যে নানান পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন তাদের এসব ওষুধ আর না দেওয়ার জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বংশগতভাবে অনেকেই ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। এই অবস্থায় এসব ওষুধ তাদের নতুন জটিলতায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকরা মনে করেন ইনসমনিয়ার মতো ঘুমের সমস্যা মোকাবেলায় ওষুধের ওপর নির্ভরশীলতা একমাত্র সমাধান হওয়া উচিত নয়।

জীবন যাপনে পরিবর্তন আনাসহ কিছু থেরাপিও এই সমস্যা সমাধানে সহায়ক হতে পারে এমনকি ঘুমানোর জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here