web analytics
Pasmisali

পপকর্নের উপকারিতা অপকারিতা

পপকর্ন খেতে আমরা অনেকেই ভালবাসি। আর সেই হাতে গরম পপকর্ন যদি পাওয়া যায় সিনেমা হলের মধ্যে তবে তো আর কথাই নেই। কারণ সিনেমা হলের অন্ধকার ঘরই আমাদের মতো পপকর্ন প্রেমীদের কাছে পপকর্ন খাওয়ার আদর্শ জায়গা।

ছবি দেখতে দেখতে মজা করে অনেকেই ভুট্টার খই বা পপকর্ন চিবায়। ভুট্টার সাদামাটা শস্যদানা থেকে পপকর্ন হয়ে ওঠে এক পছন্দনীয় খাবারে। ভুট্টা ভেজে খই তৈরি করার সময় ফটফট করে ফাটে বলে তো এটা পপকর্ন।

পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে পপকর্ন সম্পর্কিত কিছু তথ্য এখানে দেওয়া হল।

পপকর্ন যদি প্রচলিত নিয়মে ‘এয়ার-পপড’ পদ্ধতিতে ভাজা হয় তাহলে এতে গড়ে প্রায় ৩০ ক্যালরির মতো থাকে। শুধু তাই নয়, পপকর্নে পলিফেনল্স নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা প্রদাহ এবং নানান ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। পপকর্ন স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

এতে আছে সামান্য পরিমাণে লৌহ এবং অপ্রক্রিয়াজাত শস্য যা ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য আদর্শ।  সঠিক পরিমাণে ভুট্টা খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। ফাইবার যুক্ত খাবার রক্তের চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই ডায়াবেটিক রোগীরা বিকেলের নাস্তায় ছোট এক কাপ পপকর্ন খেতে পারেন।

পপকর্নে প্রচুর ফাইবার আছে। এছাড়াও আছে মিনারেল, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, বি কমপ্লেক্স ভিটামিন এবং ভিটামিন ই। প্রচুর ফাইবার থাকায় পপকর্ন খেলে পাচক রস নির্গত হয়। ফলে হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে। এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়।

পপকর্নে ক্যালরি কম থাকার পাশাপাশি পুষ্টি উপাদানও কম। এতে কোনো অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন, খনিজ বা অন্যান্য পুষ্টি উপাদান নেই। তাই পপকর্ন খাওয়ার পাশাপাশি ফল, সবজি, দুধ-জাতীয় খাবার, ডাল, মাংস, বাদাম এবং বীজ-জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত।

পপকর্ন উপকারী। তবে অবশ্যই তা ঘরে তৈরি হতে হবে। বাইরের ফ্লেভার্ড পপকর্ন, অতিরিক্ত লবণ, চিনিযুক্ত কিংবা বাটার দেয়া পপকর্ন শরীরের জন্য মোটেই উপকারী নয়। এগুলোতে থাকে অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং বাড়তি ক্যালরি। তাই বাড়িতেই পপকর্ণ তৈরি করে নিন। নাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

মাখন সমৃদ্ধ পপকর্ন বা স্বাদযুক্ত পপকর্ন খাওয়া শরীরের জন্য ভালো নয়।

ছবিঃ সংগ্রহীত
Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close