web analytics
Technology

ডিজিটাল সেবা ফাইভজি পৌঁছে যাবে দেশের তৃণমূল পর্যন্ত

ফোরজির পরে এবার ফাইভজির নতুন সম্ভাবনায় বাংলাদেশ। প্রস্তুতি নেওয়াও শুরু হয়ে গেছে আর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে রোববার গুলশানের এক্সিপেরিয়েন্স সেন্টারে ‘ইনোভেশন টু অ্যাডভান্স ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রদর্শনীতে প্রদর্শন করল বাংলাদেশে ফাইভজির সম্ভাবনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিক।

সবচেয়ে বড় কথা স্মার্ট সিটি গড়ে তোলা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মানুষের এগিয়ে যাওয়ার বিষয়গুলো মুগ্ধ করেছে উপস্থিত সকলের।

হুয়াওয়ে বাংলাদেশের চিফ টেকনোলজি অফিসার ওয়াং সিউ জেরি বলেন, সরকারের লক্ষ্য পূরণে দেশের ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেয়া হবে তৃণমূল পর্যন্ত আর ফাইভজির মাধ্যমে তা হবে সার্থক।

ওয়াং সিউ জেরি বলেন, বাংলাদেশে থ্রিজি এবং ফোরজি সেবাও আলোর মুখ দেখেছে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে ফাইভজি চালুর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি দুনিয়ায় পিছিয়ে নেই, পিছিয়ে থাকবেও না।

ফাইভজি প্রযুক্তি আগের দুটি থ্রিজি ও ফোরজি প্রযুক্তির মতোই মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বাড়িয়ে দেবে। তবে প্রযুক্তির কারিগরি দিক থেকে ফাইভজি পুরপুরি আলাদা। হুয়াওয়ের সিটিও ওয়াং সিউ জেরি বলেন, থ্রিজি এবং ফোরজি প্রযুক্তিতে বেতার তরঙ্গ ব্যহারের ক্ষেত্রে যেসব দুর্বলতা ছিল, সেইসব দুর্বলতা কাটিয়ে ফাইভজিতে প্রযুক্তিতে অনেক কম বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে আরও বেশি মানসম্পন্ন সেবা এবং দ্রুতগতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ফলে সেবাদান পর্যায়ে অপারেটররা অনেক সাশ্রয়ী মূল্যেই সেবা নিশ্চিত করতে পারবে যদিও ফাইভজি চালুর শুরুতে একটা বড় বিনিয়োগের প্রয়োজন হতে পারে এবং গ্রাহকরাও কম টাকায় উন্নত সেবা পাবেন পর্যায়ক্রমে।

হুয়াওয়ে বাংলাদেশের চিফ টেকনোলজি অফিসার (সিটিও) ওয়াং সিউ জেরি বলেন, দেশের যেসব অঞ্চলে ফাইবার অপটিক কেবল নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না, সেসব অঞ্চলে ফাইভজির মাধ্যমে মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর গতির পরিমাণ হবে ১০০ এমবিপিএস বা এক জিবিপিএস পর্যন্ত যা আগে ছিলো ফোরজি সেবায় ৪৫ এমবিপিএস।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close