Home international ওয়াকফ করা বিশ্বের সবচেয়ে বড় খেজুর বাগান সৌদি আরবে

ওয়াকফ করা বিশ্বের সবচেয়ে বড় খেজুর বাগান সৌদি আরবে

465
0
সংগ্রহীত ছবি

বিশ্বের সবচেয়ে বড় খেজুর বাগান সৌদি আরবে। সারি সারি প্রায় 200 হাজার খেজুর গাছের সমারোহ গড়ে উঠেছে এই বাগানটি। এই বাগানের মালিক শেখ সালে বিন আব্দুল আজিজ রাজেহী। যার নামে বাগানের নাম রাখা হয়েছে রাজেহী বাগান।

পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ একটি ফল খেজুর। খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন, মিনারেল এবং ডায়েটরি ফাইবার। যা রক্তস্বল্পতা দূর করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

রোজাদারদের ইফতার এর প্রধান অনুষঙ্গ খেজুর। সারাদিন রোজা রাখার পর পেট খালি থাকে বলে শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা দেখা দেয়। যা ইফতারের সময় পূরণ করতে হয়। আর খেজুর দ্রুত সেটি পূরণে সাহায্য করে।

বৈজ্ঞানিক বিষয়টি ছাড়াও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে মুসলমানদের কাছে খেজুর অতি প্রিয় এবং পবিত্র একটি ফল। খেজুর গাছের দেশ সৌদি আরবে বিশ্ব নবী (হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জন্মগ্রহণ করেছেন শিশুকাল থেকেই ছিল তা খাদ্য তালিকার প্রধান একটি অংশ। সেই সৌদি আরবেই রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় খেজুর বাগান। সারি সারি প্রায় দুইশ হাজার খেজুর গাছের সমারোহে গড়ে উঠেছে এই বাগান।

আরব নিউজ ডট কম জানিয়েছে, মধ্য সৌদি আরবের আল কাসিম প্রদেশের রাজধানী বুরাইদা শহরের কাছে এই বাগানটি অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় পাঁচ হাজার চারশ ছেষট্টি হেক্টর। এই বাগানে ৪৫ প্রকারের খেজুর উৎপাদিত হয় বলে জানা গেছে।

এই বাগানের মালিকের নাম শেখ সালেহ বিন আব্দুল আজিজ রাজেহী। তার নামানুসারেই বাগানের নাম রাখা হয়েছে রাজেহী বাগান। ১৯৯০ সালের দিকে বাগানটিতে খেজুরের সঙ্গে গম ও তরমুজও উৎপাদন করা হতো, 1993 সালে এসে বাগান মালিক সালেহ বিন আব্দুল আজিজ রাজেহীর নির্দেশে গম ও তরমুজ অন্যত্র সরিয়ে শুধুমাত্র খেজুরের জন্য রাখা হয় এবং বিভিন্ন প্রকারের খেজুর গাছের আবাদ শুরু হয়।

রমজানে ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে পবিত্র কাবা ও মদিনায় গিয়েছেন কিন্তু এই বাগানের খেজুর উপভোগ করেননি এমন ঈমানদার খুঁজে পাওয়া মুশকিল। মূলত মক্কা-মদিনায় সর্বাধিক খেজুর সরবরাহ করা হয় এই বাগান থেকেই।

আশ্চর্যের ব্যাপার হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই খেজুর বাগানের কোন খেজুরই বিক্রয়ের জন্য নয়। এই বাগানের পুরো উৎপাদনই আল্লাহর রাস্তায় ওয়াকফ করে দেওয়া হয়েছে। সে কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড এ এই বাগানটি সংযুক্ত হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here