web analytics
Others News

অনেক সময় কথা বা শব্দ আপনার কানে পৌছায় না কেন?

আপনি ওয়ানওয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে-যাচ্ছেন। পেছন থেকে একটা রিকশা বেল দিচ্ছে, কিন্তু আপনার কানে তা যাচ্ছে না। রিকশাটা হুড়’মুড় করে ঘাড়ে এসে পড়ার পর আপনার সংবিৎ-ফিরল। এতক্ষণ আপনি শোনেন’নি, কারণ আপনি স্থির-নিশ্চিত ছিলেন যে ওই ওয়ানওয়ে রাস্তায় পেছন দিক থেকে কোনো গাড়ি-ঘোড়া আসার আশঙ্কা-নেই। আর রিকশা তো কোনোভাবেই নয়। কারণ, ওই রাস্তায় রিকশা চলাচল-নিষিদ্ধ। এরপরও যেকোনো রিকশা আইন-ভেঙে আপনার ঘাড়ে এসে পড়বে, সেটা আপনার ধারণায় ছিল না। তাই রিকশার বেল আপনার কানে-ঢোকেনি।

এই ব্যাখ্যা যুক্তি-সঙ্গত; কিন্তু প্রশ্ন হলো, কোন শব্দটা শুনতে হবে আর কোনটা শোনার দরকার নেই, তা কে ও কীভাবে ঠিক করে? এটা স্থির করা হয় মস্তিষ্কের একটি বিশেষ-অংশে। এই অংশের নাম ব্রেইন-স্টেম। এখানে ক্ষুধা ও শ্বাস–প্রশ্বাসের প্রতিবর্তী ক্রিয়া (রিফ্লেক্স অ্যাকশন) নিয়ন্ত্রিত হয়। এই অংশ মস্তিষ্কের-ফিল্টার হিসেবেও কাজ করে। অযাচিত-শব্দ, গন্ড’গোল বা সংকেত সম্পাদনার গুরু-দায়িত্ব পালন করাই এর কাজ। সে বেছে বেছে শুধু সেসব শব্দই শোনায়, যেগুলো শোনা দরকার। অবশ্য দরকার বা অ’দরকারের জটিল-ব্যাপারটা যুক্তি’সিদ্ধ বিবেচনার দ্বারা চালিত হয়ে মস্তিষ্কই-সিদ্ধান্ত নেয়। মস্তিষ্কের এই ফিল্টার যদি নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে চার’পাশের সব শব্দ ও গন্ড-গোল কানে-মাথায় ঢুকে পুরো সিস্টেম অচল করে দেয়। মাইগ্রেন বা অ’সহনীয় মাথা’ব্যথা রোগের একটি কারণ এটি বলে ধারণা করা হয়।

Related Articles

Back to top button
Close
Close